রমজান মাসে ডায়াবেটিক রোগীদের রোজা রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা প্রয়োজন। সঠিক পরিকল্পনা ও নিয়ম মেনে চললে অসুস্থতা এড়িয়ে সুস্থভাবে রোজা রাখা সম্ভব। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হলো।
সেহরিতে করণীয়
-
শেষ সময়ে সেহরি: সেহরি একদম শেষ সময়ে নিন। এতে সারা দিন ক্লান্তি কম হবে এবং রক্তে সুগারের মাত্রা স্থিতিশীল থাকবে।
-
সঠিক খাবার: লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা ওটস খান। সঙ্গে মাছ, মাংস, ডাল এবং প্রচুর শাকসবজি রাখুন। প্রয়োজনে এক গ্লাস দুধও খেতে পারেন।
ইফতারে করণীয়
-
খেজুর দিয়ে শুরু করুন: একটি খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করুন। কিডনি সমস্যা থাকলে খেজুর এড়িয়ে চলুন।
-
ভাজাপোড়া ও মিষ্টি এড়িয়ে চলুন: বেগুনি, চপ জাতীয় ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন। এর বদলে চিড়া, মুড়ি, টক দই বা ডাবের পানি খেতে পারেন।
-
পানি পর্যাপ্ত পান করুন: ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন, যাতে শরীরে পানির অভাব না হয়।
ওষুধ ও চেকআপ
-
সুগার মাপা: নিয়মিত রক্তে সুগারের মাত্রা পরীক্ষা করুন। অত্যধিক বেশি বা কম হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।
-
ডাক্তারের পরামর্শ নিন: রোজা শুরুর আগে ইনসুলিন বা ওষুধের ডোজ ও সময় সম্পর্কে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন। সাধারণত সকালের ওষুধ ইফতারে এবং রাতের ওষুধ সেহরিতে খেতে হয়।
শারীরিক পরিশ্রম
-
তারাবিহ নামাজের জন্য আলাদা ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই।
-
তবে রোজা রেখে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করবেন না।
-
রক্তে সুগারের মাত্রা অস্বাভাবিক কমে গেলে বা শরীর খারাপ লাগলে দেরি না করে রোজা ভেঙে ফেলা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।











