ওজন কমানোর জন্য শুধু শরীরচর্চা করলেই যথেষ্ট নয়; প্রতিদিনের খাওয়া-দাওয়া ও জীবনযাপনের অভ্যাসেও আনতে হবে পরিবর্তন। অনেক সময় ছোট কিছু ভুলের কারণেই ওজন কমার পরিবর্তে আরও বেড়ে যায়।
তাই ওজন কমাতে চাইলে কিছু দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি।
খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় খালি পেটে না থেকে অল্প অল্প করে বারবার খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। একসঙ্গে অনেক খাবার খেলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি জমে যায়।
নিয়মিত শরীরচর্চা ওজন কমানোর অন্যতম শর্ত। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, দৌড়ানো বা হালকা ব্যায়াম করা প্রয়োজন। শরীরচর্চা নিয়মিত না হলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন।
রাতের খাবার অবশ্যই সময়মতো খেতে হবে। চেষ্টা করুন রাত ৯টার মধ্যেই খাবার শেষ করতে। দেরিতে বা বেশি করে রাতের খাবার খেলে বদহজম হয় এবং অতিরিক্ত মেদ জমার ঝুঁকি বাড়ে।
রাতে দেরি করে জাগার অভ্যাস ত্যাগ করুন। বেশি রাত জেগে থাকলে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে, যা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার, স্ট্রিট ফুড ও জাংক ফুড এড়িয়ে চলা উচিত। এসব খাবারে অস্বাস্থ্যকর চর্বি ও ক্যালোরি বেশি থাকে।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন সাধারণ ঘরোয়া খাবার। এতে ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।
চিনি খাওয়ার পরিমাণ ধীরে ধীরে কমিয়ে আনুন। সম্ভব হলে একসময় পুরোপুরি বাদ দিন। অতিরিক্ত চিনি ওজন বাড়ানোর অন্যতম কারণ।
হঠাৎ করে ক্র্যাশ ডায়েটে যাওয়া ঠিক নয়। এতে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়, যা ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।
সবশেষে মনে রাখতে হবে, মেদ ঝরাতে ধৈর্য ও নিয়মিত অভ্যাস সবচেয়ে বেশি জরুরি। নিজের শারীরিক সক্ষমতার মধ্যে থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গড়ে তুললেই ওজন কমানো সম্ভব।











