ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোফাজ্জল হক ও সেকেন্ড অফিসার এসআই নাজমুল হোসেনকে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে এ আদেশ জারি করা হয়।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান শিশু তাবাসসুম হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তারের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিং দিচ্ছিলেন। এ সময় কালীগঞ্জ থানার সামনে বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খানের একটি সভা চলাকালে দলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যস্ততার মধ্যে থানায় জব্দ থাকা কয়েকটি মোটরসাইকেল যথাযথ যাচাই ছাড়াই মালিকদের হাতে চলে যায় বলে অভিযোগ ওঠে।
ওসি (তদন্ত) মোফাজ্জল হক বলেন, "ঘটনাস্থলে ও থানায় একযোগে একাধিক কার্যক্রম চলার কারণে কোন মোটরসাইকেল কার তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই অবহেলার কারণে আমাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।"
এসআই নাজমুল হোসেন জানান, "শিশু তাবাসসুম হত্যা মামলার আসামি আবু তাহেরকে নিয়ে আলামত উদ্ধার অভিযানে সারাদিন ব্যস্ত ছিলাম। রাতে আমার ডিউটি না থাকলেও সিভিল পোশাকে থানায় অবস্থান করার কারণে আমাকে ক্লোজড করা হয়েছে।"
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, ওসি (তদন্ত) ও সেকেন্ড অফিসারকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।











