২০২৬ সালের পবিত্র হজ কার্যক্রম নিয়ে নতুন অগ্রগতির তথ্য জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, সরকারের নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুসরণ করে হজের সব কার্যক্রম পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব তথ্য জানান ধর্ম উপদেষ্টা। বৈঠকে আসন্ন হজ ব্যবস্থাপনার সার্বিক অগ্রগতি, বাড়িভাড়া চুক্তি এবং দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে আলোচনা হয়।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন হজ মৌসুমে বাংলাদেশের হজযাত্রীদের আবাসন সংক্রান্ত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদারকি করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সব হজ এজেন্সিকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই মক্কা ও মদিনায় বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পাদনের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে উভয় নগরীতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হজযাত্রীর জন্য বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি চুক্তিগুলোও নির্ধারিত ডেডলাইনের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সময়মতো বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পন্ন হলে হজযাত্রীদের ভোগান্তি কমবে এবং সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। এ কারণে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিয়মিতভাবে হজ এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে।
সাক্ষাৎকালে সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ সুষ্ঠু ও সফল হজ ব্যবস্থাপনার জন্য রোডম্যাপ অনুযায়ী বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পাদনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বাংলাদেশের হজ কার্যক্রমের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
এ সময় ধর্ম উপদেষ্টা এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে ধর্ম সচিব মো. কামাল উদ্দিন, হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আয়াতুল ইসলাম এবং যুগ্মসচিব ড. মো. মঞ্জুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।











