বান্দরবানের থানচি উপজেলার টুকটংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চার বছরেও শেষ হয়নি। জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।
বাঁশের তৈরি হেলে পড়া ঝুপড়ি ঘরে শীত-গ্রীষ্মে ধুলাবালি ও বর্ষায় বৃষ্টির পানি বই-খাতা ও পোশাক নষ্ট করে। স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগারও নেই। মাত্র দুটি কক্ষে একসঙ্গে পাঁচটি শ্রেণির ক্লাস চলছে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে পাঁচজন শিক্ষক এবং ৬৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।
২০২২ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ টাকায় তিনতলা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ পায় বান্দরবানের মিল্টন ট্রেডার্স। তবে কাজের ধীরগতি ও বারবার সময় বাড়ানোর কারণে চার বছর পেরিয়ে গেলেও ভবন ব্যবহারের উপযোগী হয়নি।
নির্মাণ মিস্ত্রি জানান, জানালা-দরজা ঠিক হয়নি, সিঁড়ির রেলিং লাগানো বাকি, আসবাবপত্রও আসেনি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, এক শ্রেণির পাঠদানের শব্দে অন্য শ্রেণির পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা গুংগাবি ত্রিপুরা বলেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর সংস্কার হয়নি। শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মিল্টন ট্রেডার্স-এর ব্যবস্থাপক মো. খোকন আহম্মেদ জানান, নির্মাণ সামগ্রীর দাম ও শ্রমিক মজুরি বেড়ে যাওয়ায় কাজ ধীরে চলছে। জুন ২০২৬ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার আশা রয়েছে। এলজিইডি ও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তাগিদ দিয়েছেন।











