জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিজ্ঞতার ভুয়া সনদ ও নিয়োগের শর্তপূরণ ছাড়াই পেশ ইমাম পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ফের আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে পেশ ইমাম পদে আবেদন চাওয়া হয়। নিয়োগপ্রাপ্ত ইমাম আব্দুল হাকিম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতার সনদ দেখিয়ে আবেদন করেন। কিন্তু তদন্তে প্রকাশ, যে মসজিদে অভিজ্ঞতার সনদ দেখানো হয়েছিল, তা ২০১৯ সালে স্থাপিত হয়নি এবং সনদে কমিটির সভাপতি আবু সুফিয়ানের স্বাক্ষরও জাল ছিল।
প্রথম তদন্ত কমিটি ২০২৫ সালের ৩ জুলাই তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়, যেখানে আব্দুল হাকিমের ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ এবং স্বাক্ষর জালিয়াতি স্বীকার করা হয়েছে। তবু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ড. আখতার হোসেন মজুমদারের নেতৃত্বে দ্বিতীয় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেই কমিটি এখনও প্রতিবেদন জমা দেয়নি।
অভিযোগ আছে, রাজনৈতিক প্রভাব ও ছাত্র সংগঠনের সুপারিশের কারণে আব্দুল হাকিমের নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছিল। পুলিশের ভেরিফিকেশন রিপোর্টে তার জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্টতার বিষয়ও উল্লেখ রয়েছে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রথম কমিটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ছিল এবং শুধুমাত্র তথ্য সংগ্রহ করেছে, সুপারিশ করেনি। হাইকোর্টে রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা এখনো কার্যক্রমাধীন।











