ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার চরলাপাং এলাকায় বালু সন্ত্রাসীদের গুলিতে ১০ জন আহত হওয়ার তিনদিনের মাথায় রাতের অন্ধকারে সশস্ত্র মহড়া দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। সোমবার স্থানীয় সাংসদ এম এ মান্নান ঘটনার পর পরিদর্শন করে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। তবে তার নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সন্ত্রাসীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
চরলাপাং গ্রামের মেম্বার জীবন মিয়া বলেন, ‘এমপি সাহেব গ্রামে সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরও রাত ১০টার দিকে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়েছে।’ এ ঘটনায় নবীনগর থানা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ইজারাদারের সশস্ত্র লোকজন নিয়মিতভাবে চরলাপাং এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এতে নদীতীরবর্তী গ্রামসহ আশপাশের গ্রামগুলো ভয়াবহ নদী ভাঙনের কবলে পড়ছে এবং সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে আছে।
গ্রামবাসী জেলা প্রশাসনের কাছে বারবার প্রতিবাদ করলেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সাথেও বিতর্ক রয়েছে। নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, গোলাগুলির ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ মামলা করেনি, তবে পুলিশ হামলাকারী সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে এবং আজ বুধবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকবে।











