সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে মামা-মামী-নানীসহ ১০ জনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার ধনপুর ইউনিয়ন গোলগাও গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
জখমদের মধ্যে গুরুতর অবস্থার ব্যক্তিদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে জমি চাষাবাদের জন্য মো. আবুল কালাম (৫০) একাই জমিতে গেলে ছমেদ মিয়া (২৫), সাদেক মিয়া (২৩), সুমন মিয়া (২২) বাধা দেয়। পরে তারা হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে কোপাতে শুরু করে।
স্থানীয়রা ও আবুল কালামের পরিবার বাধা দেয়ার চেষ্টা করলেও ছমেদ মিয়া, সাদেক মিয়া ও সুমন মিয়া আবুল কালামের বাড়িতে গিয়ে জোসনা বেগম (৪০), মা চমিরন বেগম (১০০) এবং মামাত বোনসহ আরও কয়েকজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় সবাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। আবুল কালামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে, তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। আহতদের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।











