রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার পর চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বাসের ধাক্কায় তিন অটোরিকশা যাত্রী নিহতের ঘটনায় অভিযুক্ত চালককে অর্থের বিনিময়ে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
রবিবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পল্লাপুকুর এলাকায় দ্রুতগামী একটি যাত্রীবাহী বাস ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী শান্ত ইসলাম। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা বাসচালককে আটক করার চেষ্টা করলে অভিযোগ ওঠে, বেলপুকুর থানার এসআই জহিরুল ইসলাম কৌশলে অভিযুক্ত চালককে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেন। এতে ক্ষুব্ধ জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এসআই জহিরুল ইসলাম কান ধরে দাঁড়িয়ে আছেন এবং চারপাশে উত্তেজিত জনতা তাকে তিরস্কার করছে। ভিডিওতে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘দেখেন, এটা বেলপুকুর থানার পুলিশ। ঘুষ খেয়ে ড্রাইভারকে ছেড়ে দেওয়ার শাস্তি এটা।’ এ সময় উপস্থিত জনতাকে পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধার করেন। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ বিষয়ে বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরজুনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।











