ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকারের বিদায়ের এক সপ্তাহ পার হওয়ায় দেশের সাধারণ মানুষ স্বস্তি অনুভব করছে। দেশের রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে রিকশাচালক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সবাই সরকারের বিদায়ের খুশি প্রকাশ করেছেন।
মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, অন্তর্র্বর্তী সরকার গত ১৮ মাসে স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বিস্তৃত করেছিল। মব বাহিনী তৈরি করে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের উপর অত্যাচার চালানো হয়। দেশ পরিচালনার নামে সরকারি পদধারীরা বেসরকারি খাতকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে হরণ করার চেষ্টা করেছিল।
২০০৭ সালের ড. ফখরুদ্দীন আহমদের অনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের মিল লক্ষ্যযোগ্য। দুটি সরকারই সুশীল নেতৃত্বে গঠিত হলেও জনগণের কল্যাণে নয়, নিজেদের স্বার্থে কাজ করেছে। সুশীল সমাজ ক্ষমতায় গেলে তারা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে জনগণকে প্রলুব্ধ করে এবং বাস্তবে দুর্নীতিবাজ ও স্বার্থপর হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে দুটি সুশীল সরকারের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে যে, সুশীল সমাজের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেশের প্রশাসন পরিচালনায় অযোগ্য। সাধারণ মানুষের কল্যাণে নয়, বরং নিজেদের বা বিদেশি প্রভুর স্বার্থে তারা দায়িত্ব পালন করে। সুশীল সমাজের কাজ সুন্দর কথা বলা, টক শো এবং সেমিনার পরিচালনা করা, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব রাজনীতিকরাই যথাযথভাবে পালন করতে পারেন।











