মশক নিধনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে স্বাস্থ্য বিভাগের মশক নিধন শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
সম্প্রতি ডিএসসিসি এলাকায় মশার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় প্রশাসকের নির্দেশে এই বিশেষ সভা আহ্বান করা হয়। সভায় মশক নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা, সঠিক পদ্ধতিতে প্রয়োগ এবং মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে স্বাস্থ্য বিভাগকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়। এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
সভায় প্রশাসক বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের অবহেলা, ব্যর্থতা বা দুর্নীতি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এ বিষয়ে ডিএসসিসির অবস্থান সম্পূর্ণভাবে ‘জিরো টলারেন্স’। তিনি আরও জানান, মশা নিধন কার্যক্রম তিনি নিজেই সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন।
প্রশাসকের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল থেকে ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে ১০ দিনের বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু হবে। এই কর্মসূচিতে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় মশক কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের বিষয়টি আলোচনায় আসে। পাশাপাশি বর্তমানে ব্যবহৃত ওষুধের বিকল্প হিসেবে নতুন ও আরও কার্যকর ওষুধ পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। এছাড়া সরকারি কিংবা বেসরকারি যেকোনো স্থাপনায় মশার উৎপত্তিস্থল পাওয়া গেলে এবং বারবার সতর্ক করার পরও ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সভায় ডিএসসিসির শীর্ষ কর্মকর্তা, বিভাগীয় প্রধান, আঞ্চলিক কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য বিভাগের মশক নিধন শাখার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।











