দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক ঘণ্টা ৪০ মিনিটের বৈঠকের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তার এ সফর মূলত আসন্ন এপেক সম্মেলনের সঙ্গে যুক্ত ছিল, যা শুরু হবে আগামীকাল।
বুসানে শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহুল আলোচিত। বৈঠক শেষে শি জিনপিং বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে সম্পর্কের চালিকাশক্তি হিসেবে রাখতে হবে, এটি যেন কোনো বাধা না হয়।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশকে সব স্তর ও সব চ্যানেলে যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে, যাতে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর হয়। শি জিনপিং উল্লেখ করেন, “চীন ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করলে গোটা বিশ্বের কল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।”
চীনা প্রেসিডেন্ট জানান, ২০২৬ সালে চীন এপেক সম্মেলনের আয়োজক হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র আয়োজন করবে জি-২০ সম্মেলন। উভয় পক্ষের উচিত একে অপরকে সহযোগিতা করা এবং উভয় সম্মেলনকে সফল করে তোলা।
আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতেও চীন-আমেরিকার সঠিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন শি জিনপিং।
বৈঠকের প্রতিটি বক্তব্যে প্রকাশ পায় চীনের আত্মবিশ্বাস ও স্থিতিশীল কূটনৈতিক অবস্থান—বিশ্বব্যাপী ভারসাম্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বার্তা দিচ্ছে বেইজিং।
✨ শান্ত, আত্মবিশ্বাসী এবং দৃঢ় — চীনের অবস্থান স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত শি জিনপিংয়ের কথায়।











