বিশ্বব্যাপী কমিউনিজম সম্পর্কে যে অসংখ্য মিথ্যা ও বিকৃত ইতিহাস ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তা একদিন ভেঙে পড়বে আমেরিকার শ্রমজীবী মানুষের হাতেই—যেদিন তারা নিজেদের বর্তমান সংগ্রামকে ইতিহাসের বাস্তব সত্যের সঙ্গে যুক্ত করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষমতাসীন শ্রেণির তৈরি এই “মিথ্যার পাহাড়” চূর্ণ হবে শ্রমিক শ্রেণির হাতুড়ির আঘাতে—যেদিন তারা নিজেদের শক্তি, ঐক্য ও ইতিহাসে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন হবে।
প্রতিদিন আরও বেশি সংখ্যক আমেরিকান উপলব্ধি করছেন যে, তারা এমন এক শাসকগোষ্ঠীর দ্বারা নিপীড়িত, যারা সাধারণ মানুষকে অবজ্ঞা করে ও তাদের কষ্টে আনন্দ খুঁজে পায়। কিন্তু কেন এই ঘৃণা—সেই প্রশ্নের উত্তর তারা এখনও সম্পূর্ণভাবে বুঝে উঠতে পারেননি।
তবে মার্কসবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে, আমেরিকার ইতিহাস আসলে শ্রেণি সংগ্রামের ইতিহাস। শাসক ও শ্রমজীবী শ্রেণির এই দ্বন্দ্বের চূড়ান্ত রূপ হবে শ্রমজীবী সংখ্যাগরিষ্ঠের বিজয় এবং শোষক সংখ্যালঘুর ওপর তাদের শাসন প্রতিষ্ঠা—যা কমিউনিজমের মূল দর্শন।
অনেকেই ভুলভাবে মনে করেন, আমেরিকার তথাকথিত “ডিপ স্টেট” বা রাষ্ট্রযন্ত্রটি কমিউনিস্টদের দখলে। বাস্তবে এটি গড়ে তোলা হয়েছে কমিউনিজমের ভয় থেকেই—শ্রমিকদের ঐক্যকে দমন করার উদ্দেশ্যে।
শ্রমজীবী মানুষ যখন একে অপরকে চিনতে শুরু করবে, নিজেদের শক্তি ও সংখ্যা সম্পর্কে সচেতন হবে—তখন তারা বুঝবে, তাদের লড়াই কোনো একক ব্যক্তির নয়; বরং সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম।
সেই মুহূর্তেই উদ্ভাসিত হবে কমিউনিজমের প্রকৃত অর্থ—যার জন্য অসংখ্য মানুষ অতীতে লড়েছে, প্রাণ দিয়েছে, এবং যাদের ইতিহাস আজ বিকৃত করে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
⸻
📢 লেখকের বক্তব্য:
“ইতিহাস বিকৃতকারীরা জয়ী হবে না। শ্রমিক শ্রেণি একদিন নিজেদের সত্য চিনে নেবে—এবং তখনই শুরু হবে নতুন ইতিহাসের অধ্যায়।”











