ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া আল্লাহ তাআলার কাছে অত্যন্ত প্রিয় এবং তা কবুল হওয়ার বিশেষ সম্ভাবনা থাকে। এ সময় বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে এবং তার কাছে নিজের প্রয়োজন ও ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না—ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৭৫২)
হাদিসে বর্ণিত আছে, ইফতারের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন।
আরবি দোয়া:
ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ
উচ্চারণ:
জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতাল্লাতিল উ’রুকু; ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ।
অর্থ:
(ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো।
এই দোয়াটি রাসুলুল্লাহ (সা.) ইফতারের সময় পাঠ করতেন বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৩৫৭)
ইফতারের সময় এ দোয়া পাঠ করা সুন্নত এবং এ সময় আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করা উত্তম। কারণ রোজাদারের ইফতারের মুহূর্ত আল্লাহর রহমত ও বরকতে পরিপূর্ণ থাকে।











