রমজান ইবাদতের বসন্ত এবং আল্লাহর সান্নিধ্য ও ভালোবাসা অর্জনের মৌসুম। আল্লাহর দরবারে কোনো আমল তখনই পরিপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য হয় যখন তা মহানবী (সা.)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী আদায় করা হয়। রোজাদারের জন্য নবীজি (সা.)-এর ১২টি বিশেষ নির্দেশনা নিম্নরূপ:
১. রাতে নিয়ত করা : ফরজ রোজার নিয়ত সুবহে সাদিকের আগেই সম্পন্ন করতে হবে। মুখে উচ্চারণ বাধ্যতামূলক নয়, মনের ইচ্ছা ও সাহরি গ্রহণই যথেষ্ট। (নাসায়ি, হাদিস : ২৩৩৪)
২. সতর্কতার সঙ্গে অজু করা : রোজার সময় অজু করার সময় সাবধান থাকতে হবে যেন অজুর সময় পানি গলার মধ্যে না চলে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৭৮৮)
৩. অধিক পরিমাণ ইবাদত করা : রমজানে নবীজি (সা.) অধিক ইবাদত করতেন এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৫৫৪)
৪. অবিরাম রোজা না রাখা : ধারাবাহিকভাবে ইফতার ও সাহরি না খেয়ে রোজা রাখা সুন্নাহর পরিপন্থী। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৬৪)
৫. সাহরি খাওয়া : সাহরি খাওয়া সুন্নত এবং বিলম্বে খাওয়া উত্তম। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯২৩)
৬. দ্রুত ইফতার করা : ইফতারের সময় দ্রুত ইফতার করা সুন্নত। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৫৭)
৭. অধিক পরিমাণে দোয়া করা : রোজাদারের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। (বায়হাকি, হাদিস : ৬৬১৯)
৮. তাহাজ্জুদ আদায় : রমজানে রাতের ইবাদত এবং কদরের রাতে জাগরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৫০২৭)
৯. অন্যকে ইফতার করানো : অন্যকে ইফতার করানো সওয়াব বৃদ্ধি করে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৮০৭)
১০. গুনাহ পরিহার করা : রোজার বরকত লাভ করতে গুনাহ পরিহার করতে হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮৯৪)
১১. শেষ দশকে ইবাদতের পরিমাণ বৃদ্ধি : রমজানের শেষ দশকে ইবাদতের পরিমাণ বৃদ্ধি করা। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৭৪)
১২. কদরের রাত অনুসন্ধান করা : রমজানের শেষ দশকে শবেকদরের রাত অনুসন্ধান করতে হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২০২০)











