ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান সম্প্রতি রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় গানম্যান নিয়ে প্রবেশের সময় সেনা সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান।
এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা প্রথম প্রকাশ করেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর জামায়াত প্রার্থীর আচরণ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বডি ক্যামেরার গোপন ভিডিও কীভাবে ফাঁস হলো—এ প্রশ্নও তুলেছেন অনেক রাজনীতিবিদ ও সচেতন মহল।
এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, আগে যেভাবে পুলিশের অভ্যন্তরীণ রেডিও বার্তা ফাঁস হতো, সেনানিবাসের এমপি চেকপোস্টের ভিডিওটিও সেভাবেই ফাঁস হয়েছে। পার্থক্য শুধু এই যে, তখন যাদের কাছে এসব তথ্য ফাঁস ‘হালাল’ মনে হতো, এখন তাদের কাছেই একই ঘটনা ‘হারাম’ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
তিনি আরও লেখেন, তথ্য কিন্তু একই আছে—শুধু হালালটা হারাম হয়ে গেছে।
এর সঙ্গে তিনি ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবরের একটি পুরনো ভিডিও শেয়ার করেন। ওই ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির মহাসমাবেশে দায়িত্ব পালন করা নিরাপত্তা সংস্থার এক সদস্যের বয়ানের মাধ্যমে সংঘর্ষের নেপথ্যের ঘটনা উঠে এসেছিল।
সে সময় তীব্র সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের আইজি (কলসাইন ভিক্টর-৬) বারবার কাকরাইল চার্চ ও মন্দিরে হামলার বিষয়ে ‘সঠিক তথ্য’ জানতে চান বলে দাবি করা হয়। পরে পুলিশ কর্মকর্তারা ওই স্থানগুলো পরিদর্শন করে নিশ্চিত করেন, সেখানে কোনো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি।











