ড. মুহাম্মদ ইউনূস, নোবেলজয়ী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তি, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ১৮ মাস দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে দেশের অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা, গণমাধ্যম ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
বিশ্লেষকরা বলেন, ১৮ মাসে ড. ইউনূস দেশে মব সন্ত্রাসকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। ক্ষমতার জোরে অন্যের বাড়িঘর ও ব্যবসা দখল, মব বাহিনীর লুটপাট, শিল্পকারখানায় অগ্নিসংযোগ এবং ব্যবসায়ীদের ব্যাংক একাউন্ট জব্দের মতো ঘটনায় সাধারণ মানুষ দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন। এতে বন্ধ হয়েছে বহু কারখানা, বেড়েছে বেকারত্ব, এবং দারিদ্র্য সীমার নিচে চলে গেছে লাখ লাখ মানুষ। শিক্ষার পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, শিক্ষার্থীরা ক্লাসে না গিয়ে আন্দোলনে লিপ্ত।
গণমাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করেছিল। সাংবাদিকরা মব বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু ছিলেন, সরকারি সমালোচনাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ক্রীড়াক্ষেত্রে অংশগ্রহণে বাধা ও সিদ্ধান্তগুলো দেশীয় ক্রীড়াবৃন্দকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বিদেশ সফর করেছেন, তবে দেশীয় অর্জনের পরিবর্তে নিজের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও প্রচারণা জোরদার করেছেন। তিনি গ্রামীণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সরকারি অনুমোদন ও সুবিধা দিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি অনুমোদন, গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসের রপ্তানি লাইসেন্স, গ্রামীণ টেলিকমের ডিজিটাল ওয়ালেট চালু এবং গ্রামীণ ব্যাংকের মালিকানা ও কর সংক্রান্ত সুবিধা। শ্রম আইন লঙ্ঘন ও অর্থপাচারের মামলা খারিজ হওয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিজ্ঞান ও উন্নয়নমূলক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, ড. ইউনূসের শাসনামলকে বিশ্লেষকরা হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন। দেড় কোটি বেকার এবং দুই কোটি চরম দরিদ্র মানুষের বৃদ্ধি, শিল্প-বাণিজ্যিক ক্ষতি, শিক্ষাব্যবস্থার অবনতি এবং গণমাধ্যমে আতঙ্কের পরিবেশ ছিল তার নেতৃত্বের প্রতিফলন।











