ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনের ফলাফল না আসা পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করা উচিত। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের চলমান নির্বাচন নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ মন্তব্য করেছে।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করব এবং দেখব কেমন ম্যান্ডেট আসে, তারপর আমরা বাকি বিষয়গুলো দেখব।”
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ‘অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন’-এর পক্ষে নয়াদিল্লি সবসময় অবস্থান নিয়েছে।
বাংলাদেশে ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর এটি দেশটির প্রথম নির্বাচন। এরপর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন দেশ পরিচালনা করছে।
নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত। ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যার দিকে গণনা কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামপন্থি জোটকে পরাজিত করার বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারেক রহমান দেশের সবচেয়ে বড় দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন। বিএনপি শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল।
মা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ও মৃত্যুর পর তারেক রহমান গত বছরের ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরেন। অন্যদিকে, জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান তৃণমূল পর্যায়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। তিনি নির্বাচনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ভোটগ্রহণ বিকেল সাড়ে ৪টায় শেষ হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ফলাফল রাতের মধ্যেই আসতে পারে। দেশের উভয় রাজনৈতিক পক্ষ নেতারা হুমকির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত কেবল কয়েকটি ছোটখাটো বিঘ্নের ঘটনা জানিয়েছে।











