রাজধানীর ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৃথক ঘটনায় এক স্কুল শিক্ষার্থীসহ দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতরা হলেন—ওয়ারী এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া চা দোকানের কর্মচারী মানিক (২৬) এবং যাত্রাবাড়ীর স্কুল শিক্ষার্থী মো. রনি (১০)।
ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর মোড়ল জানান, মানিক চাঁদপুর সদর উপজেলার বাকশিলা সরকার বাড়ির বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত ইউনুস সরকার। তিনি বর্তমানে ওয়ারী বিসিসি রোডের ৩৪/১ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন।
খবর পেয়ে শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটার দিকে ওই বাসায় গিয়ে ফ্যানের সঙ্গে মাফলার পেঁচানো অবস্থায় মানিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক মনোমালিন্যের কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অন্যদিকে, যাত্রাবাড়ী ধোলাইপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. রনি যাত্রাবাড়ী পুবাইল এলাকায় নান্নু মিয়ার বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে ভাড়া থাকত। তার বাবা নুর আলম জানান, পড়ালেখার ফাঁকি দেওয়ায় শনিবার রাতে বাবা-মা তাকে সামান্য বকাঝকা করেন। এতে অভিমান করে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রনি বাথরুমে ঢুকে পড়ে।
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাইরে না আসায় সন্দেহ হলে দরজা ভেঙে দেখা যায়, বাথরুমের ভেতরে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে রনি। দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মধ্যরাতে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনারই আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন।











