নতুন সরকার মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারি চাকরি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করা হচ্ছে, যা আগামী সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে পৌঁছাবে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ইতোমধ্যে মাদকের রুট, কারবারি, মাদকাসক্ত ও নিরাময় কেন্দ্রের তথ্য হালনাগাদ শুরু করেছে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলে চাকরির যোগ্যতা বাতিল হবে। এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে সরকারি ও বেসরকারি চাকরি, যানবাহন চালনার লাইসেন্স, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়ায়।
সরাসরি প্রয়োগের মাধ্যমে মাদকাসক্তদের শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, ডোপ টেস্ট সামাজিক নিরাপত্তা ও যুবসমাজ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ডিএনসির মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ জানিয়েছেন, নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযান জোরদার করা হবে এবং আইনের ভিত্তিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে।











