পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার অরনকোলার বাগবাড়িয়া মাঠপাড়া ও মুলাডুলির পতিরাজপুর এলাকায় এক্সকাভেটর দিয়ে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, অন্তত ১০টি ট্রাক মাটি পরিবহনে ব্যবহার হচ্ছে।
এক্সকাভেটর অপারেটর মো. দেলোয়ার হোসেন এবং ট্রাক চালকরা জানিয়েছেন, মাটি ব্যবসায়ী আশরাফুল ইসলাম তাদের ভাড়া দিয়ে মাটি কাটাচ্ছেন এবং ট্রাকের মাধ্যমে ইটভাটায় পৌঁছে দিচ্ছেন। মাটি কাটার জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে আশরাফুল স্বীকার করেছেন।
মাটির ক্রেতা ইটভাটার মালিকরা জানিয়েছেন, তারা শুধু মাটি কিনছেন, মাটি কাটার প্রক্রিয়া জানেন না।
ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মমিন বলেন, কৃষিজমির মাটি কেটে পুকুর খনন মানে জমির শ্রেণি পরিবর্তন। এর জন্য জেলা প্রশাসকের অনুমতি প্রয়োজন। ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি কেটে বিক্রি করলে সেই জমিতে নতুন ফসল উৎপাদন করতে ২০ বছর সময় লাগতে পারে।
ঈশ্বরদী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, অনুমতি নিয়ে খনন করা মাটি শুধুমাত্র পুকুরের পাড় নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা যাবে; বিক্রি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
ইউএনও মো. আরিফুর রহমান বলেন, ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ, এবং এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।











