সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা সংক্রান্ত নতুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা পদে কর্মরত শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা প্রদান করা হবে। দ্বিতীয় শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনকারী শিক্ষকরা একটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা পাবেন। অপরদিকে, প্রথম শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষকরা দুইটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, এই আদেশটি ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। ফলে ওই তারিখ থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বেতন সুবিধা পুনর্নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হলো।
এতে বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর তারিখের সম্মতির আলোকে (চাকরি বেতন ও ভাতা) আদেশ, ২০১৫-এর ১২ (২) নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তৎকালীন ২০১০ সালের ১৭ জুলাইয়ের এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট মেমোরেন্ডামের নম্বর ৮৩২-এর তফসিলে ‘সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা’ পদনাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে উল্লিখিত পদে কর্মরত শিক্ষকদের জন্য অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে।
শিক্ষক সমাজ দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষাগত যোগ্যতার স্বীকৃতি এবং ন্যায্য আর্থিক সুবিধার দাবি জানিয়ে আসছিল। নতুন এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেই দাবির আংশিক বাস্তবায়ন হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে শিক্ষকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এবং শিক্ষা খাতে পেশাগত উৎসাহ বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে।











