জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যার নির্দেশ দেওয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দ্বারা শেখ হাসিনাকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়কে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন মহুয়া তলা থেকে মিছিলটি শুরু হয়।
মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলায় এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে প্রায় দেড় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে সংগঠনটির সদস্য ও জাকসু এজিএস ফেরদৌস আল হাসান বলেন, ‘আজকে খুনি শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার পর রায়কে প্রত্যাখ্যান করে ১ হাজার শিক্ষক বিবৃতি দিয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমে এসেছে। সেখানে জাবির কিছু শিক্ষকের নামও আমরা দেখেছি। আজ রাতের মধ্যে এ বিবৃতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার না করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রীয় আইনে ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক ও জাকসু সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনার নিজের প্রতিষ্ঠা করা আদালতে তার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। গণহত্যার দেড় বছরের মাথায় এ বিচার একটা বড় বিজয়। আমাদের নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দিয়ে শেখ হাসিনা ভেবেছিল সব শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু নেতৃবৃন্দ সেদিন শেখ হাসিনাকে সতর্ক করেছিল।
আজ শিবির এ দেশে রয়েছে কিন্তু শেখ হাসিনা পালিয়ে আছেন। ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করে শেখ হাসিনা আজ নিজেই নিষিদ্ধ।’
এসময় জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় বাংলাদেশের জনগণের প্রাথমিক বিজয়। চূড়ান্ত বিজয় হবে সেদিন যেদিন এ রায় কার্যকর করা হবে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ন্যায্যতার ভিত্তিতে হতে হবে।
সেজন্য প্রথম শর্ত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। জাবিতে জুলাই হামলায় জড়িত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিচার ও দ্রুত শাস্তির দাবি করে তিনি আরো বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও জুলাই হামলায় জড়িত শিক্ষকদের বিচার নিয়ে টালবাহানা চলছে। দ্রুত এসব শিক্ষকের বিচার করা না হলে প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব আমরা।’











