১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কারণে দেশের বড় বড় দোকান, শপিংমল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং রাইড শেয়ারিং সার্ভিস সাময়িক বন্ধ থাকবে।
সরকারি নির্দেশে শিল্প-কারখানা বন্ধ থাকছে, ফলে সকাল থেকেই যাত্রীদের চাপ দেখা দিয়েছে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালে। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বেশি লেনদেন সীমিত করা হয়েছে। বিকাশ, নগদ, রকেটসহ অন্যান্য এমএফএস অ্যাপের ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট সেবা বন্ধ থাকবে।
ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ঘোষণা করেছে, ভোটের দিন বড় দোকান ও শপিংমল বন্ধ থাকবে। তবে পাড়া-মহল্লার মুদি দোকান ও সবজি বাজার খোলা থাকবে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে মোটরসাইকেল, পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক ও লঞ্চের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক এবং জরুরি সেবার যানবাহন বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে।
পর্যটন কেন্দ্র ভোটের সময় সীমিত কার্যক্রম চালু রাখবে। নির্বাচনী এলাকার নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করতে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিদের অবস্থান নিষিদ্ধ।
তবে জরুরি সেবা, হাসপাতাল, ডাক্তার, নার্স, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাক বিভাগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সচল থাকবে। সমুদ্র ও স্থলবন্দর কার্যক্রমও চালু থাকবে যাতে পণ্য আমদানি-রপ্তানি ব্যাহত না হয়।











