‘বাংলার ক্রাশ’ নামেই যিনি পরিচিত, সেই ঋতাভরী চক্রবর্তী সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেই তা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। অভিনয়ের পাশাপাশি তার স্টাইল, কিলার লুক ও সাহসী ফটোশ্যুট বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রে থাকে। ওয়েস্টার্ন পোশাক হোক কিংবা ঐতিহ্যবাহী শাড়ি—সব ধরনের পোশাকেই ঋতাভরীর উপস্থিতি নেটিজেনদের দৃষ্টি কাড়ে।
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে এক ভিন্নধর্মী লুকের ছবি শেয়ার করেন ঋতাভরী। সাদা শাড়ির সঙ্গে কালো ফুলস্লিভ ব্লাউজ, কোঁকড়ানো খোলা চুল, কাজল কালো চোখ আর কপালে কালো টিপ—এই সাজে তাকে দেখে একাংশ নেটিজেন মুগ্ধ হলেও অন্য অংশ শুরু করেন তীব্র সমালোচনা। বিশেষ করে শাড়ির আঁচল সামান্য সরানোয় বক্ষবিভাজিকা স্পষ্ট হওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয় কটাক্ষ।
জানা গেছে, শারীরিক কিছু সমস্যার কারণে গত কয়েক বছরে ঋতাভরীর ওজন কিছুটা বেড়েছে। তবে তাতে তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। বরং অনেক অনুরাগী মন্তব্যে লিখেছেন, এই লুকে তাকে আরও আত্মবিশ্বাসী ও আকর্ষণীয় লাগছে। কেউ কেউ আবার বলেছেন, হালকা শীতের দুপুরে এই ছবি নেটদুনিয়ায় ‘উষ্ণতা’ ছড়িয়েছে।
তবে নেটিজেনদের একাংশ ছবিটিকে ‘অতিরিক্ত সাহসী’ বলে মন্তব্য করেন এবং অভিনেত্রীকে তুলোধুনো করতেও ছাড়েননি। মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই ঋতাভরী ছবির ক্যাপশনে হিন্দিতে লেখেন— “জীবন সময়ের হাতে বন্দি, কিন্তু এটাই সেই কিছু সময়, যা এখন স্বাধীন।” তার এই বক্তব্যকেও অনেকে আত্মপ্রকাশ ও স্বাধীনতার বার্তা হিসেবে দেখছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবরই সক্রিয় ঋতাভরী নিজের জীবনের ছোট ছোট মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে ভালোবাসেন। সাহসী ফটোশ্যুটের জন্য যেমন তিনি প্রশংসা পেয়েছেন, তেমনি সমালোচনার মুখেও পড়েছেন বহুবার। কখনও বিকিনি, কখনও শাড়িতে—নিজেকে লাস্যময়ী ও আত্মবিশ্বাসী রূপে তুলে ধরতেই পছন্দ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে অভিনয় জগতে পা রাখেন ঋতাভরী চক্রবর্তী। পরবর্তীতে মডেলিংয়ের পাশাপাশি বড়পর্দায়ও কাজ করেন তিনি। ব্রহ্মা জানেন গোপন কর্মটি, ফাটাফাটি, বহুরূপসহ একাধিক সিনেমায় নিজের অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।











