সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বা সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে দ্রুত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
একবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সরকার সেই অবস্থান থেকে সরবে না।
ঐকমত্য কমিশন সুপারিশ জমা দেওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে মতপার্থক্য তীব্র হয়েছে।
বিএনপি বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারির এখতিয়ার নেই। তারা নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠানকেও অপ্রয়োজনীয় ও অযৌক্তিক মনে করে।
জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি দল নভেম্বরের মধ্যে গণভোটসহ পাঁচটি দাবিতে আন্দোলনে রয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সনদে স্বাক্ষরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকারের পদক্ষেপ দেখার পর।
ঐকমত্য কমিশন সুপারিশে সংবিধান-সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে বিশেষ আদেশ জারির মাধ্যমে গণভোটের প্রস্তাব করেছে। গণভোট কবে হবে, সেই সিদ্ধান্ত সরকার নেবে। সরকার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোট করার বিষয়টিও বিবেচনা করছে।
আরপিওতে ফের সংশোধনী
সদ্য অনুমোদন দেওয়া আরপিওর (সংশোধন) অধ্যাদেশের খসড়া আবারও সংশোধন করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
২৩ অক্টোবর আরপিওর যে খসড়া অনুমোদন হয়েছিল, সেখানে বলা হয়েছিল জোটগতভাবে নির্বাচন করলেও প্রতিটি দলকে নিজ দলের প্রতীকে অংশ নিতে হবে। বিএনপি এবং ছোট দলগুলোর আপত্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হচ্ছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জোটগতভাবে নির্বাচন করলে প্রার্থী নিজ দলের প্রতীকে অথবা জোটের যেকোনো দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, প্রধান উপদেষ্টার আগ্রহ ও নির্দেশনায় আরপিওতে এই সর্বশেষ পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন এই লক্ষ্য পূরণে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করতে পারে।











