সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি এক ব্যক্তির ছবি ও ভিডিও ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওতে কলকাতার আলোচিত অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রকে এক ব্যক্তির সঙ্গে সৌন্দর্যবিষয়ক আলোচনা করতে দেখা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই ভাইরাল হয় ওই ব্যক্তির স্টিল ছবি, যা নিয়ে শুরু হয় নানা কৌতূহল।
ভাইরাল হওয়া ওই ব্যক্তির নাম ডা. নৃপেন্দ্র গুহ। তিনি একজন প্রশিক্ষিত ডার্মাটোলজিস্ট, যিনি আধুনিক কসমেটিক ডার্মাটোলজি ও নন-সার্জিক্যাল এস্থেটিক চিকিৎসায় পরিচিত। বিশেষ করে বোটক্স, ডার্মাল ফিলার এবং অ্যান্টি-এজিং ট্রিটমেন্টে তার অভিজ্ঞতার কথা জানা যায়।
তবে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে শুধু তার চিকিৎসা নয়, বরং তার নিজের ‘বিফোর-আফটার’ লুক। সাম্প্রতিক সময়ে অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রসহ একাধিক তারকার তার সেবা নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ডা. নৃপেন্দ্র গুহ আলোচনায় উঠে আসেন। পাশাপাশি তার বর্তমান চেহারার পরিবর্তন নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে চলছে সমালোচনা ও নানা মন্তব্য।
ডা. নৃপেন্দ্র গুহ মূলত কলকাতাভিত্তিক ত্বক, চুল ও নখের রোগ বিশেষজ্ঞ। সাধারণ চর্মরোগ চিকিৎসার পাশাপাশি কসমেটিক ও এস্থেটিক ডার্মাটোলজিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। তার কাজের পরিধি ঢাকাসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা ও শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত বিস্তৃত বলে জানা গেছে।
ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষা, বয়সের ছাপ কমানো এবং মুখের প্রাকৃতিক গঠন অক্ষুণ্ন রেখে আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে সৌন্দর্য উন্নয়নই তার কাজের মূল লক্ষ্য। বোটক্স, ডার্মাল ফিলার, স্কিন রিজুভেনেশন, একনি স্কার ট্রিটমেন্ট ও পিগমেন্টেশন কন্ট্রোল—এই সব ক্ষেত্রেই তার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে জানা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বোটক্স বা বটুলিনাম টক্সিন ইনজেকশন মুখের পেশিকে সাময়িকভাবে শিথিল করে বলিরেখা ও ফাইন লাইন কমাতে ব্যবহৃত হয়। এটি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত ও বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি হলেও সঠিক ডোজ, মুখের অ্যানাটমি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ও নান্দনিক ভারসাম্য না থাকলে এই চিকিৎসা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ডা. নৃপেন্দ্র গুহর ভাইরাল হওয়ার আরেকটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে তার নিজের চেহারার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। প্রকৃত চেহারার তুলনায় বর্তমান লুক অনেকটাই বদলে যাওয়ায় বিষয়টি নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে চলছে বিস্তর আলোচনা।











