বগুড়ার ধুনট উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে জহুরুল ইসলাম নামের এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে সড়কের পাশের জমি থেকে এক্সকাভেটর ব্যবহার করে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। এই কর্মকাণ্ডে ঝুঁকিতে পড়েছে ভান্ডারবাড়ি-গোসাইবাড়ি পাকা সড়ক।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, যুবদল নেতা নিজের জমিতে পুকুর খনন ও পুকুরের পাড় বাঁধার নামে মাটি কেটে তা বিভিন্ন ইটভাটা ও ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করছেন। ট্রলি ও খননযন্ত্র ব্যবহার করে মাটি উত্তোলন হচ্ছে এবং ট্রাক্টর দ্বারা তা অন্যত্র পাঠানো হচ্ছে। এতে সড়কের পাশের মাটি গভীরভাবে কাটা হচ্ছে, ফলে সড়ক ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে।
সরকারি বিধি অনুযায়ী আঞ্চলিক বা গ্রামীণ সড়কের উভয় পাশের ১০ ফুটের মধ্যে কোনো পুকুরের পাড় রাখা যাবে না। তবেই পুকুরের পাড় বাঁধার অনুমতি থাকে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ জানিয়েছে, অতিরিক্ত মাটিবোঝাই ট্রাক চলাচল কম ওজন ধারণকারী সড়কগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, সারাদিনই মাটিবোঝাই ট্রলি চলাচল করছে, অবৈধভাবে মাটি কেটে সড়ক নষ্ট হচ্ছে, বৃষ্টির সময় কাদা জমে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে এবং পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।
অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম দাবি করেছেন, এটি তার নিজের জমিতে পুকুর খনন ও পাড় বাঁধার কাজ। সামান্য মাটি গ্রামের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়ন কাজে বিক্রি করা হচ্ছে এবং এতে রাস্তাঘাটে ক্ষতি হবে না।
ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রীতিলতা বর্মন জানিয়েছেন, মাটি কেটে বিক্রি করার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার কাউকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











