আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হবে। গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই প্রচারণা ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ করার বিধান রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ হবে।
শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত থাকায় ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যেই দেশের ৪৯টি জেলায় রিটার্নিং অফিসারদের কাছে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে, বাকি জেলাগুলোতে রবিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে।
মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ ভোটার ভোট দিতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, মহিলা ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।
৩০০ আসনের মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন, সর্বোচ্চ গাজীপুর-২ আসনে ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন। এবার মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে এবং মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৩৪, যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৫।
বৃহত্তম দল হিসেবে বিএনপি ২৯১ জন প্রার্থী দিয়েছে। সারা দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ থাকবে।
ঢাকা-১২ আসনে সবচেয়ে বেশি ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, পিরোজপুর-১ আসনে সবচেয়ে কম ২ জন।
নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৯ লাখ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া ৮১টি দেশি নিবন্ধিত সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ৭ হাজার ৯৯৭ জন কেন্দ্রীয়ভাবে, ৪৭ হাজার ৪৫৭ জন স্থানীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন। প্রায় ৫০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষকও থাকবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।











