দলীয় পদ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের আয়োজিত মানববন্ধনে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে চিতলমারী থানা চত্বরের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সদ্য বহিষ্কৃত চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিনুল হক টুলু বিশ্বাসের অনুসারীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
এ বিষয়ে মমিনুল হক টুলু বিশ্বাস বলেন, তাকে কী কারণে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিজেও অবগত নন। তিনি দাবি করেন, ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়ায় এবং নিজেও ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর তার বহিষ্কারের খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে তার অনুসারীরা মানববন্ধন করতে গেলে বিএনপি মনোনীত বাগেরহাট-১ আসনের প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলের অনুসারীরা হামলা চালায় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন জানান, মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে, এর আগের দিন বুধবার রাতে বাগেরহাট পৌরসভার বাসাবাটি এলাকায় দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে বাগেরহাট-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের নির্বাচনী অফিস পুড়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।











