বরিশাল নগরীতে রোববার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্বাচনী মিছিলে নেতৃত্ব দেন বরিশাল-৫ আসনের প্রার্থী ও দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের প্রতি সম্মান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামী বরিশাল-৫ আসনে নিজেদের প্রার্থী প্রত্যাহার করেছে।
তৎকালীন ঘোষণা অনুযায়ী, জামায়াত ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবে। তবে ভোটের মাঠে সেই ঘোষণার দৃশ্যমান প্রতিফলন দেখা যায়নি। প্রচারের শেষ পর্যায়ে হাতপাখা প্রতীকের পাশে জামায়াতের স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি নেই, যা রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় বিশ্লেষকেরা অনুমান করছেন, প্রকাশ্যে হাতপাখায় সমর্থনের ঘোষণা হলেও ভোটের বাস্তব প্রভাব ধানের শীষে যেতে পারে। জামায়াতের দায়িত্বশীলরা দাবি করেছেন, প্রার্থী প্রত্যাহার করা হয়েছে পীরের সম্মানে।
বরিশাল সদর আসনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাড. মুয়াযযম হোসাইন হেলাল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম এবং মহানগর সভাপতি অধ্যাপক লোকমান হাকিম স্বীকার করেছেন, কোথাও কোথাও জামায়াতের কর্মীরা ভোট চাইলেও শীর্ষ নেতারা প্রচারে উপস্থিত হননি।
জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর জানিয়েছেন, তাঁরা ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছেন এবং বিজয় কামনা করছেন। তবে কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশক্রমে মাঠে সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রত্যাশিত নয়।
সম্মানের ঘোষণা ও মাঠের নীরবতার ফারাক বরিশাল সদর আসনের রাজনীতিকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। ভোটের চূড়ান্ত ফলাফলই প্রকাশ করবে জামায়াতের নীরবতার প্রভাব।











