দীর্ঘ দুই যুগ পর গাজীপুরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনকে ঘিরে জেলাজুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার আমেজ বিরাজ করছে। বিভিন্ন স্থানে প্রস্তুতি সভা, মিছিল ও জনসভা সফল করতে ব্যাপক সাংগঠনিক তৎপরতা চলছে।
গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে গাজীপুর শহরের ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, প্রায় ২৪ বছর পর তারেক রহমান গাজীপুরে আসছেন এবং চেয়ারম্যান হিসেবে এটাই হবে তার প্রথম সফর। তার আগমন উপলক্ষে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ বিরাজ করছে এবং নেতাকে বরণে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জনসভা সফল করতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে টঙ্গীতে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা হাসান উদ্দিন সরকারের বাসভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন হাসান উদ্দিন সরকার। সভা সঞ্চালনা করেন এম মঞ্জুরুল করিম রনি।
প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সায়েদুল আলম বাবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন সরকার এবং গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী সায়েদুল আলম বাবুল বলেন, ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠের জনসভা শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি গাজীপুরবাসীর জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তিনি জানান, গাজীপুরের জনসভা শেষে তারেক রহমান ময়মনসিংহ বিভাগে আরও কয়েকটি জনসভায় অংশ নেবেন।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি দেশের উন্নয়নের একটি রোডম্যাপ। কৃষি, শিল্প, কর্মসংস্থান, বেকার সমস্যা সমাধান এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে এই কর্মসূচির দিকনির্দেশনা গাজীপুরের জনসভায় তুলে ধরা হবে।
প্রস্তুতি সভায় জানানো হয়, জনসভাটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে গাজীপুর মহানগর বিএনপিকে সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বক্তারা বলেন, ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠের সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পারিবারিক স্মৃতি জড়িত। এ কারণে এই জনসভাকে বিএনপির রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।











