বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে প্রসিকিউশন।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম এ শাস্তি দাবি করেন। দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনালের নেতৃত্বে রয়েছেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ।
এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে রয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামীম। অন্যদিকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো এবং পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
গত ৩০ জুন এই মামলায় ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এ মামলায় গ্রেপ্তার ছয় আসামির মধ্যে রয়েছেন বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, সাবেক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ। তিনি ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন। ওই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং আন্দোলন আরও গতিশীল হয়ে ওঠে।











