কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে তিনটি পৃথক প্যানেলের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ পদে জয় পেয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাধারণ আইনজীবী প্যানেল। এ প্যানেলের ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে সহ-সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ৭ জন নির্বাচিত হয়েছেন।
অপরদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেলের ১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জন জয়লাভ করেছেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্যানেল থেকে ১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে সভাপতিসহ ৪ জন নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান কমিশনার অ্যাডভোকেট আহমদ কবির শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন। ১৯০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সমিতির বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০ জন। এবারের নির্বাচনে ভোটার তালিকাভুক্ত আইনজীবী ছিলেন ৯৪৩ জন।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। মোট ৮৮৭ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সমিতির কার্যকরী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১৭টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো তিনটি পৃথক প্যানেলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। এতদিন বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত ঐক্য প্যানেল একসঙ্গে নির্বাচন করলেও এবার তারা আলাদাভাবে অংশ নেয়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা দীর্ঘ বিরতির পর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা হলেন—সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, পাঠাগার ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক শওকত ওসমান এবং নির্বাহী সদস্য আজিজুল করিম।
জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা হলেন—সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার উদ্দিন হেলালী, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আবদুল বারী, সহ-সাধারণ সম্পাদক (সাধারণ) জিয়াউদ্দিন মাহমুদ তমাল, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সদস্য একেএম শাহজালাল চৌধুরী ও মোহাম্মদ নেজামুল হক এবং নির্বাহী সদস্য এস এম জসিম উদ্দিন।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা হলেন—সহ-সাধারণ সম্পাদক (হিসাব) মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, আপ্যায়ন সম্পাদক মোহাম্মদ রিদুয়ান আলী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাহিদা খানম কক্সী, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমদ ও ইকবালুর রশিদ আমিন সোহেল এবং সদস্য পদে পারভীন সুলতানা পিয়া ও সেকাব উদ্দিন।











