লক্ষ্মীপুরে ভোটগ্রহণ চলাকালে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, হামলা ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় নারীসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনের ৪৯৬টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল সাড়ে ৭টায় লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষ প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী ও হাজিরপাড়া ইউনিয়নের রেজাউল করিম ভোট দেন। পরে তারা চরচামিতা বেগম অজিফা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং কুশল বিনিময় করেন।
অন্যদিকে, রাতের একটি ঘটনায় সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এমএ ওসমানি ও পোলিং অফিসার মো. ইকবাল হোসেনকে আটক করা হয়। তারা নলঠগি মদিনাতুল উলুম ইসলামীয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে দায়িত্বে ছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, আটক দুজন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
সকাল থেকে ভোটাররা কেন্দ্রে উপস্থিত হন। শুরুতে নারীর সংখ্যা বেশি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি কমতে থাকে। বিজয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়, পৌর শহিদ স্মৃতি একাডেমি, আদিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দত্তপাড়ার বড়ালিয়া কেন্দ্রসহ কয়েকটি কেন্দ্রে পৃথক হামলা ও সংঘর্ষ ঘটে। এতে ১২ জন আহত হন এবং স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী রেজাউল করিম বলেন, “জয়-পরাজয়ের মালিক জনগণ, তাদের রায়কে আমি গ্রহণ করব।”
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ধানের শীষ প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, “দীর্ঘ অপেক্ষার পর সুন্দর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।











