মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকিতে পরিণত হয়েছিল এবং তা মোকাবেলায় সামরিক পদক্ষেপ ছিল ‘শেষ ও সর্বোত্তম সুযোগ’।
হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-এর নীতির কারণেই ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিতে পেরেছিল। ট্রাম্পের ভাষ্য, “এই অসুস্থ ও অশুভ শাসনের সৃষ্ট অসহনীয় হুমকি মোকাবিলা ও নির্মূল করার জন্য এটি ছিল আমাদের শেষ এবং সর্বোত্তম সুযোগ।”
তিনি বলেন, অভিযানের লক্ষ্য তিনটি—প্রথমত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা; দ্বিতীয়ত তাদের নৌ সক্ষমতা দুর্বল করা; এবং তৃতীয়ত ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।
ট্রাম্প দাবি করেন, পূর্ববর্তী একটি চুক্তির মাধ্যমে ইরান বৈধভাবে পারমাণবিক অস্ত্র পাওয়ার পথে ছিল। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার চুক্তির কাছাকাছি গেলেও ইরান সরে দাঁড়িয়েছে এবং সে কারণেই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনকারী ওমান জানিয়েছে, তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উল্লেখযোগ্য ছাড় দিতে প্রস্তুত ছিল। ওমানের দাবি, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত সীমিত করা ও তা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করার বিষয়েও ইরান সম্মত হয়েছিল এবং দুই দেশ একটি সম্ভাব্য চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল।
এদিকে সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক পদক্ষেপ ও কূটনৈতিক আলোচনার সমান্তরাল অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।











