বরগুনার বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়নের ভোড়া কালিকাবাড়ি গ্রামের তিন ভাই—রাসেল, শাহাবুদ্দিন ও রিয়াদ—ধান চাষের জমিতে এবার তরমুজ আবাদ করে চমক দেখিয়েছেন। পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রথমবারেই পেয়েছেন প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ফলন।
চলতি মৌসুমে এক একর জমিতে তারা যৌথ উদ্যোগে তরমুজ চাষ করেন। শুরুতে কিছুটা ঝুঁকি থাকলেও অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাই কম থাকায় ফলন হয়েছে সন্তোষজনক। ক্ষেতজুড়ে তরমুজের সমারোহ দেখতে প্রতিদিন স্থানীয়দের ভিড়ও বাড়ছে।
চাষি রাসেল জানান, প্রতি একরে গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ মণ তরমুজ ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। পাইকাররা ক্ষেতেই তরমুজ কিনতে এলেও এখনো বিক্রি করেননি তারা। বাজারে ভালো দাম পেলে খরচ বাদ দিয়ে উল্লেখযোগ্য লাভের আশা করছেন।
ছোট ভাই রিয়াদ বলেন, পরিশ্রম ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে কৃষিতে সফলতা সম্ভব। আগামী বছর আরও বেশি জমিতে তরমুজ আবাদ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, সময়মতো বীজ বপন, সেচ ব্যবস্থাপনা ও জৈব সার ব্যবহারের কারণেই এ সাফল্য এসেছে। বেতাগী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের মাটি তরমুজ চাষের জন্য উপযোগী। কৃষকদের এমন উদ্যোগ অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহা. সাদ্দাম হেসেন বলেন, বেতাগী উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে এখানকার উৎপাদিত তরমুজ অন্য উপজেলাতেও সরবরাহ করা যাবে। এতে চাষিরা লাভবান হবেন।







