২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। চূড়ান্ত দল গঠনের প্রস্তুতিও শুরু করেছে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা দেশগুলো। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন একটাই—নেইমার কি থাকবেন বিশ্বকাপ দলে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন নেইমার নিজেও। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে তাঁর লড়াই।
সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলাল ছেড়ে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফেরার পর ২০২৫ সালটা নেইমারের জন্য মোটেও সহজ ছিল না। চোট ও ফর্মহীনতা পিছু ছাড়েনি তাঁকে। তবে সব প্রতিকূলতার মাঝেও দমে যাননি সাবেক বার্সেলোনা তারকা। নেইমার শুধু বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নই দেখছেন না, বরং বিশ্বাস করেন—ব্রাজিল এবার ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ জিততে পারে।
সম্প্রতি ব্রাজিলে আয়োজিত ‘কিংস লিগ’ টুর্নামেন্টে অংশ নেন নেইমার। টুর্নামেন্ট শেষে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন,
“২০২৬ সালটা আমরা দারুণভাবে শুরু করেছি। এখন চোখ জুন-জুলাইয়ের দিকে। ঈশ্বর চাইলে সব ঠিকঠাক হবে এবং ব্রাজিল আবারও চ্যাম্পিয়ন হবে।”
তবে নেইমারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো শতভাগ ফিটনেসে ফেরা এবং জাতীয় দলের কোচ কার্লো আনচেলত্তির আস্থা অর্জন করা। ২০২৩ সালের পর থেকে আর ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যায়নি তাঁকে। আনচেলত্তি শুরু থেকেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন—নামের কারণে নয়, কেবল ফিট ও ফর্মে থাকা খেলোয়াড়রাই বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাবেন।
এই কারণে সান্তোসের হয়ে প্রতিটি ম্যাচই নেইমারের জন্য এখন একেকটি কঠিন পরীক্ষা। তাঁকে প্রমাণ করতে হবে, তিনি এখনও ফুরিয়ে যাননি এবং বড় মঞ্চে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
নেইমার নিজেও জানেন, সময় খুব বেশি নেই। তবুও অটুট বিশ্বাস আর প্রবল প্রত্যয় নিয়ে তিনি অপেক্ষায় আছেন সেই সোনালি ট্রফির, যা বারবার কাছে গিয়েও অধরা থেকে গেছে। হতে পারে, ২০২৬ বিশ্বকাপই তাঁর শেষ সুযোগ—স্বপ্নের বিশ্বকাপ ছুঁয়ে দেখার।











