পশ্চিম এশিয়ার কিছু দেশের আকাশসীমা বন্ধ হওয়ার প্রভাব পড়েছে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর ওপর। প্রথমে এই ভোগান্তিতে পড়েছে জিম্বাবুয়ে দল।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচের পর আপাতত ভারতে থেকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করতে হচ্ছে তাদের। টুর্নামেন্ট আয়োজকরা জিম্বাবুয়ে ও অন্যান্য দলগুলোর দেশে ফেরার বিকল্প রুট খুঁজছেন।
জিম্বাবুয়ে দল ধাপে ধাপে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছিল। সোমবার ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে কিছু সদস্যের রওনা দেওয়ার কথা ছিল, বাকিরা পরে যেতেন। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বুক করা হয়েছিল, দিল্লি থেকে দুবাই হয়ে হারারে ফেরার জন্য। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্যান্য এয়ারলাইনস ও রুট বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
দলের কোচ জাস্টিন স্যামন্স বলেছেন, ‘না, এ বিষয়ে আমি কিছু শুনিনি। আমরা যখন ম্যাচ শুরু করি তখনও কিছু জানতাম না। ম্যাচ নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম, এরপরও নতুন কোনো তথ্য পাইনি।’
পাশাপাশি, পাকিস্তান দল সুপার এইট পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর শনিবার কলম্বো থেকে শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে লাহোরে ফিরে গেছে।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালে পশ্চিম এশিয়ার কয়েকটি দেশের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ওই অঞ্চলে এবং আন্তর্জাতিকভাবে বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। অনেক এয়ারলাইনস ফ্লাইট বাতিল বা রুট পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জানায়, তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট, ম্যাচ অফিসিয়াল, সম্প্রচারকর্মী ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা এবং ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিকল্প পরিকল্পনা সক্রিয় করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংকট সরাসরি টুর্নামেন্ট পরিচালনায় প্রভাব না ফেললেও অধিকাংশ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দেশে ফেরার জন্য দুবাইসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের বিমানবন্দরগুলোকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করেন। বিকল্প হিসেবে ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন হাব ব্যবহারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আইসিসির নিরাপত্তা পরামর্শক দল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছে। খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্টদের সহায়তায় একটি বিশেষ ট্রাভেল সাপোর্ট ডেস্কও চালু করা হয়েছে।











