ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল শেষে ‘প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত ক্রিকেটারদের তালিকা প্রকাশ করেছে। এবারের তালিকায় বিভিন্ন দেশের মোট আটজন ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন।
সেমিফাইনালে নাটকীয় লড়াইয়ে ভারত সাত রানের ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামী রোববার (৮ মার্চ) ভারতের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে।
মনোনীতদের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার উইল জ্যাকস। উপমহাদেশের কন্ডিশনে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তিনি চারবার ম্যাচসেরা হয়েছেন। পুরো টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে করেছেন ২২৬ রান এবং বল হাতে নিয়েছেন ৯ উইকেট।
দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার লুঙ্গি এনগিদিও জায়গা পেয়েছেন এই তালিকায়। তার বৈচিত্র্যময় স্লোয়ার ডেলিভারি প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছিল। সাত ম্যাচে তিনি ১২ উইকেট নিয়েছেন এবং তার ইকোনমি রেট ছিল ৭.১৯।
প্রোটিয়াদের অধিনায়ক এইডেন মারক্রামও মনোনয়ন পেয়েছেন ব্যাট হাতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে। আট ম্যাচে ২৮৬ রান করে তিনি ফাইনালের আগে টুর্নামেন্টের চতুর্থ সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক। তার নেতৃত্বে দক্ষিণ আফ্রিকা সেমিফাইনাল পর্যন্ত অপরাজিত ছিল।
এছাড়া টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক সাহিবজাদা ফারহান এবং সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি শ্যাডলি ভ্যান স্কালকউইকও এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের দৌড়ে রয়েছেন।
ফাইনালিস্ট নিউজিল্যান্ডের দুই ক্রিকেটার টিম শেইফার্ট ও রাচিন রবীন্দ্রও মনোনয়ন পেয়েছেন। দলের ফাইনালে ওঠার পেছনে এই দুই ক্রিকেটারের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
ভারতের হয়ে তালিকায় জায়গা পেয়েছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার সঞ্জু স্যামসন। যদিও তিনি মাত্র চারটি ম্যাচ খেলেছেন, তবুও ইতোমধ্যে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হয়ে উঠেছেন। টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে টানা দুটি অর্ধশতক করে দলকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি।
মনোনীত খেলোয়াড়রা হলেন— উইল জ্যাকস, সাহিবজাদা ফারহান, লুঙ্গি এনগিদি, এইডেন মারক্রাম, রাচিন রবীন্দ্র, শ্যাডলি ভ্যান স্কালকউইক, টিম শেইফার্ট ও সঞ্জু স্যামসন।
উল্লেখ্য, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারতের মাত্র দুই ক্রিকেটার এই পুরস্কার জিতেছেন। তারা হলেন বিরাট কোহলি ও জাসপ্রিত বুমরাহ। কোহলি ২০১৪ ও ২০১৬ সালে টানা দুইবার ‘প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হন। আর বুমরাহ ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই সম্মান অর্জন করেন।











