মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বহুদিনব্যাপী প্রস্তুতিমূলক সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে মার্কিন বিমানবাহিনী। স্থানীয় সময় সোমবার মার্কিন বিমানবাহিনী সেন্ট্রাল (এএফসিইএনটি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরানের সঙ্গে চলমান তীব্র উত্তেজনার প্রেক্ষাপটেই এই মহড়ার ঘোষণা দেওয়া হলো।
এএফসিইএনটি এক বিবৃতিতে জানায়, এই মহড়ার লক্ষ্য আক্রমণ প্রতিরোধ, ভুল হিসাবের ঝুঁকি কমানো এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী দেশগুলোর প্রতি আস্থা ও নিশ্চয়তা জোরদার করা। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই মহড়া একটি শক্তিশালী, যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ও দায়িত্বশীল সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করে, যা শান্তি রক্ষায় শক্তির ব্যবহারকে গুরুত্ব দেয়।
দেশব্যাপী বিক্ষোভে কঠোর দমন-পীড়নের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এসব ঘটনায় হাজার হাজার মানুষ নিহত ও বহু মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা আটককৃতদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।
এরই মধ্যে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী ও এর সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, সামরিক পদক্ষেপের প্রয়োজন হলে এসব জাহাজ কৌশলগতভাবে ব্যবহৃত হবে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তাদের এফ–১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে, যা যুদ্ধ প্রস্তুতি জোরদার করার পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা কাতারে টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। এগুলো মূলত প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা জোরদারের জন্য ব্যবহৃত হবে।











