ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বুধবার পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন থেকে পূর্ব জেরুজালেমসহ অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েল তাদের নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারক কেএএন জানিয়েছে, ‘রমজান মাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আজ সকাল থেকে নিরাপত্তা সংস্থা বিভিন্ন স্থানে সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীরের এলাকা এবং সিম লাইনের ওপর।’
মোদায়েনের পরিকল্পনায় পূর্ব জেরুজালেমে, বিশেষ করে পুরাতন শহর ও আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণের আশেপাশে পুলিশ এবং সীমান্ত পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এতে চরম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রমজানের প্রথম দিনগুলোতে হাজার হাজার নিরাপত্তা কর্মী মাঠে মোতায়েন করা হয়েছে।
ইসরায়েল ঘোষণা করেছে, তারা ১০ হাজার ফিলিস্তিনি উপাসককে সাপ্তাহিক জুমার নামাজে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেবে। তবে ফিলিস্তিনি অধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করছে, পূর্ব জেরুজালেমে গ্রেপ্তার অভিযান, নির্বাসন ও বাধ্যতামূলক নিয়ম আরোপের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের উপস্থিতি কমানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
গাজায় চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের যাতায়াতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। সামরিক চেকপোস্ট স্থাপন ও অনুমতিপত্র ব্যবস্থা করে কেবল নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের চলাচল নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ফিলিস্তিনিরা পূর্ব জেরুজালেমকে তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে বিবেচনা করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ১৯৬৭ সালে শহরটি দখল এবং ১৯৮০ সালে এর অবৈধ সংযুক্তিকরণকে স্বীকৃতি দেয়নি। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে, ইসরায়েল পশ্চিম তীরে অভিযান জোরদার করেছে, যা হত্যাকাণ্ড, বাড়িঘর ধ্বংস, বাস্তুচ্যুতি ও বসতি সম্প্রসারণের অন্তর্ভুক্ত।











