আমেরিকা-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। রবিবার (১ মার্চ) সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রচার করা হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম Islamic Republic of Iran Broadcasting (আইআরআইবি) রবিবার সকালে জানায়, দেশের সর্বোচ্চ নেতা ‘শাহাদাত বরণ করেছেন’। রাষ্ট্রীয় ঘোষণার পরপরই রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে খামেনির নিহত হওয়ার দাবি করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে তিনি লেখেন, খামেনি মারা গেছেন। তার এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
রাষ্ট্রীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, শনিবার ভোরের দিকে এই হামলা চালানো হয়। সে সময় খামেনি তার কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছিলেন। হামলার ধরন ও ব্যবহৃত অস্ত্র সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় ইরানে রবিবার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। দেশজুড়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
খামেনির মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইরান দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সর্বোচ্চ নেতার পদটি দেশটির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কাঠামোর কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় উত্তরসূরি নির্ধারণ ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হতে পারে।
এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া এবং সম্ভাব্য কূটনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।











