ইরানের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি সোমবার (২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না। এই বক্তব্যের মাধ্যমে ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে এমন গুঞ্জন ভেস্তে গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে। বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলীতে হামলা চালানো হয়, যা ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী লেবানন থেকে মিসাইল নিক্ষেপের প্রতিক্রিয়া। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন দেশকে এই সংঘাতে না জড়ানোর জন্য সতর্ক করেছেন।
দক্ষিণ লেবাননের ৫৩টি গ্রাম ও শহরের বাসিন্দাদের বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ দূরে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনার কাছাকাছি অবস্থান জীবনঝুঁকির কারণ হতে পারে।
এদিকে উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল (জিসিসি) এক জরুরি ভিডিও কনফারেন্সে মিলিত হয়ে ইরানের ‘আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধের অঙ্গীকার করেছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারসহ ছয়টি সদস্য দেশ জানিয়েছে, নিজেদের রক্ষা করতে এবং অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মার্কিন জনমতের একটি জরিপে দেখা গেছে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মাত্র ২৭ শতাংশ আমেরিকান সমর্থন প্রকাশ করেছেন, যেখানে ৪৩ শতাংশ এই হামলার বিরোধিতা করেছেন। এছাড়া ৫৬ শতাংশের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় সামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত উৎসাহী।











