ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে প্রথমবারের মতো সরাসরি সামরিক উপস্থিতি জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। দেশটির প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron জানিয়েছেন, ফ্রান্সের পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী French aircraft carrier Charles de Gaulle-কে ভূমধ্যসাগরে মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে ম্যাখোঁ বলেন, ২ মার্চ সাইপ্রাসে ব্রিটেনের একটি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আঘাত হেনেছে। এর ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে জটিল হয়ে উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, 🇨🇾 সাইপ্রাস ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হওয়ায় জোটের নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ইউরোপের দায়িত্ব। সেই প্রেক্ষাপটেই ফ্রান্স ভূমধ্যসাগরে নিজেদের বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ম্যাখোঁ জানান, চার্লস দ্য গল ইতোমধ্যে বাল্টিক সাগর থেকে ভূমধ্যসাগরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। এই রণতরী ফ্রান্সের নৌবাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ এবং এতে যুদ্ধবিমান, নজরদারি বিমান ও বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ফ্রান্সের এই পদক্ষেপ ইউরোপীয় দেশগুলোর সক্রিয় সামরিক সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।











