ডোডো পাখি, লোমশ ম্যামথ বা তাসমানিয়ান বাঘের মতো বিলুপ্ত প্রাণীদের পুনর্জন্মের চেষ্টা চলছে। এর অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে কলোসাল বায়োসায়েন্সেস একটি অত্যাধুনিক গবেষণাগার, কলোসাল বায়োভল্ট স্থাপন করেছে।
দুবাইয়ের মিউজিয়াম অফ দ্য ফিউচারের ভেতরে এই ল্যাবে বিশ্বের প্রায় ১০,০০০ প্রজাতির কোটি কোটি হিমায়িত টিস্যু ও ডিএনএ নমুনা সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে আরব আমিরাতের সবচেয়ে বিপন্ন ১০০টি প্রজাতিসহ বিশ্বের বিভিন্ন অংশের দুর্লভ প্রাণীর নমুনাও থাকবে।
কলোসালের সিইও বেন ল্যাম জানিয়েছেন, মানুষ প্রকৃতি ধ্বংসের এই হারে এগোচ্ছে, তাই সব প্রাণীর ব্যাকআপ রাখা জরুরি। প্রাণীদের ডিএনএ নিয়ে গবেষণা ভবিষ্যতে মানুষের জটিল রোগের চিকিৎসাতেও সাহায্য করবে।
গত এপ্রিলে কলোসাল জানায়, জিন-সম্পাদনা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা বিলুপ্ত ডায়ার উলফের সংকর প্রজাতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি পুরোনো নেকড়ের হুবহু কার্বন কপি নয়, তবে প্রাচীন প্রাণী পুনর্জাগরণের পথে বড় পদক্ষেপ।
প্রকল্পে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার বিনিয়োগ করেছে এবং কলোসাল এ পর্যন্ত প্রায় ৬১৫ মিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহ করেছে। এই ল্যাব হবে কলোসালের বিশ্বব্যাপী সাইট নেটওয়ার্কের প্রথম ধাপ।



